শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
কলাপাড়ায় গভীর রাতে বসতঘর থেকে গৃহবধূ নিখোজ, জনমনে নানা প্রশ্ন হত্যা না গুম ঈদের তৃতীয় দিনে পর্যটকে কনায় কানায় পরিপূর্ন কুয়াকাটা সৈকত সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ,সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির কলাপাড়ায় কুইজ প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণদের সন্মাননা ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বরিশাল মহানগর বিএনপির ঈদ উপহার বিতরণ পর্যটক আকর্ষনে ঈদকে ঘিরে কুয়াকাটায় চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি কলাপাড়ায় ঈদের চাঁদ উৎসব কলাপাড়ায় ১১ গ্রামের ১৫ হাজার মানুষ উদযাপন করছে আগাম ঈদ পটুয়াখালীতে আজ ৩৫টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন পালিত হচ্ছে কলাপাড়ায় ৩৪টি এসএসসি ব্যাচের ‘হাইস্কুলিয়ান ইফতার ২০২৫’ অনুষ্ঠিত কলাপাড়া পৌর নির্বাচন।।মেয়র পদে নির্বাচন করতে তৎপর নান্নু মুন্সী কলাপাড়ায় জামায়াতে ইসলামীর আলোচনা সভা, ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে বেগম জিয়ার রোগমুক্তির জন্য ইফতার কলাপাড়া সাংবাদিক ক্লাবের ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠান কুয়াকাটায় ১০ দোকানে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন বিএনপি সভাপতির দুই ছেলে
২৭ বছর পর ভোটে নেই জিয়া পরিবার

২৭ বছর পর ভোটে নেই জিয়া পরিবার

Sharing is caring!

ক্রাইমসিন২৪ ডেস্ক:
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের পরিবার থেকে এবারের জাতীয় নির্বাচনে কোনো প্রার্থী নেই। গত ২৭ বছরে (২০১৪ ছাড়া) জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবারই প্রথম এই পরিবারের কোনো প্রার্থী ছাড়া ভোট হবে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তিন আসনে মনোনয়পত্র দাখিল করলেও আদালতে সাজা পাওয়ায় তার প্রার্থিতা বাতিল হয়ে গেছে গতকাল।

১৯৯১ সাল থেকে অংশগ্রহণমূলক প্রতিটি নির্বাচনে জিয়াউর রহমানের স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া একাধিক আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ ছাড়া ফেনী-১ আসন থেকে খালেদা জিয়ার ভাই প্রয়াত সাঈদ ইস্কান্দার নির্বাচন করেন একাধিকবার।

দুর্নীতির দুই মামলায় সাজা হওয়ায় এই নির্বাচনে খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে সংশয় ছিল আগে থেকেই। গুঞ্জন ছিল বগুড়া ও ফেনী থেকে তার দুই পুত্রবধূর (জোবায়দা রহমান ও শর্মিলা রহমান) মধ্যে কেউ, অথবা সাঈদ ইস্কান্দারের স্ত্রী নাসরিন ইস্কান্দার নির্বাচন করতে পারেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের কেউ নির্বাচনে আসেননি। ফলে ২৭ বছর পর জিয়া পরিবারের কোনো সদস্য সংসদ নির্বাচনের লড়াই থাকলা না।

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দেশে সামরিক শাসন জারির করার পর এর বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলে তৎকালীন বিএনপির নেতৃত্বাধীন ৭ দলীয় জোট এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ৮ দলীয় জোট। সাতদলীয় জোটের নেতৃত্বে ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।

১৯৮৬ সালে এরশাদ সরকারের সময় পরপর দুটি নির্বাচন হলেও বিএনপি তাতে অংশ নেয়নি। ১৯৯০ সালে ৬ ডিসেম্বর এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯১ সালে ২৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া প্রথমবারের মতো বগুড়া-৭ ও দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও চারটি আসন থেকে নির্বাচন করেন। সব কটিতেই বিজয়ী হন তিনি। ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারপারসন ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসন থেকে নির্বাচন করে প্রতিটিতে বিজয়ী হন। ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপি বর্জন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে।

ফেনী-১ আসনে ১৯৯১ সালে প্রথমবারের মতো নির্বাচন করেন খালেদা জিয়া জয়ী হন। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এই আসন থেকে জয়ী হন। ওই বছরের ১২ জুনের সপ্তম সংসদ নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হন। ২০০১ সালের নির্বাচনেও জয়ী হন। সবশেষ ২০০৮ সালের নির্বাচনে এক লাখের বেশি ভোটে পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

২০০১ সালে এই আসন থেকে খালেদা জিয়ার ভাই সাঈদ ইস্কান্দার উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হয়েছিলেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাজা হওয়ার পর থেকে কারাগারে আছেন বেগম খালেদা জিয়া। এর মধ্যে চ্যারিটাবল ট্রাস্ট মামলাও সাজা হয়েছে তার। বিএনপি শুরু থেকে দাবি করে আসছে, এই দুই মামলার কোনো ভিত্তি নেই। রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় তাকে মামলায় জড়িয়ে সাজা দেয়া হয়েছে।
বগুড়া-৬ আসনে এবার বেগম খালেদা জিয়ার পাশাপাশি মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করায় এই আসনে লড়বেন তিনি।

বেগম জিয়ার মনোনয়ন বাতিল হওয়ার পর বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে বিক্ষোভ করেছেন জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।